আনুশকার দেহে বড় পু’রু’ষা’ঙ্গ পুুশ, ফরেন বডি কি (ভিডিওসহ)

নিউজটি সম্পন্ন পড়তে ক্লিক করুন। ভিডিওটি দেখুন নিউজের একেবারে শেষে। আরও পড়ুন : মহিলার নাম কিংবা পরিচয় জানা যায়নি। নিজের স্বামীর পরিচয় সম্পর্কেও কিছু খোলসা করেননি তিনি। ৬ মাসের প্রেম। তার পরে বিয়ে। কিন্তু হানিমুনে যেতেই মাথায় বাজ পড়ল মহিলার। স্বামী শা’রী’রিক

দিতে না পারায় ক্ষোভ জানাতে বিচিত্র পন্থা নিলেন গৃহবধূ।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া ‘রে’ডিট’-এ এক মহিলা একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি জানান, ৬ মাসের প্রেমের পরে তিনি তাঁর বয়ফ্রেন্ডকে

বিয়ে করেন। কিন্তু হানিমুনে যেতেই তিনি বুঝতে পারেন, তাঁর স্বামীর পু’রুষা’ঙ্গ আকারে ছোট। তাঁকে শা’রী’রিক সু’খ দিতে পারবেন না স্বামী। ওই মহিলার অ’ভিযোগ, বি’য়ের আগে তাঁর স্বামী এ বি’ষযে কিছুই জানাননি তাঁকে। এমনকী, বিয়ের আগে যৌ’’ন সম্পর্কে

লি’প্ত হবেন না বলেও জানিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর স্বামী। কিন্তু বিয়ের পরে স্বা’মীর গো’পন কথা জানতে পেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। ওই মহিলার নাম কিংবা পরিচয় জানা যায়নি। নিজের স্বা’মীর পরিচয় সম্পর্কেও কিছু খোলসা করেননি তিনি। তবে তাঁর অ’ভিযোগ, তাঁর স্বা’মী তাঁকে

ঠ’কিয়েছেন। পু’রু’ষা’ঙ্গ ছোট— এ বি’ষয়ে আগেই তাঁকে জানানো উচিত ছিল। কিন্তু তা না বলে বিয়ে করে ওই মহিলাকে প্রতারিত করেছেন তাঁর স্বামী। ওই মহিলার এমন পোস্ট দেখে অনেকেই কমেন্ট করে সমবেদনা জানিয়েছেন তাঁকে।

পুরুষের জন্য আসছে জন্ম বিরতিকরণ পিল? না’রীদের জ’ন্য আ’ছে পি’ল, লাইগেশন স’হ গ’র্ভনিরো’ধক নানা ব্য’বস্থা। কিন্তু পুরু’ষের জ’ন্য? হ্যাঁ, এখন প’র্যন্ত তাদের জ’ন্য জা’না দু’টি প’দ্ধতিই আ’ছে। তা হলো কন’ডম ব্যবহার।

কিংবা ভাসেকটমি নামের স্থায়ী ব্য’বস্থা। কিন্তু নতুন বছর ২০২১ সালে কি পুরু’ষের জ’ন্য না’রীদের মতো কোন পি’ল বা অন্য কো’নো ব্য’বস্থা আস’বে? এখন থেকে প্রা’য় ৬০ বছর আ’গে বৃটেনে না’রীদের জ’ন্মবি’রতিকরণের পি’ল চালু হয়। কিন্তু পুরু’ষদের পি’লের বি’ষয়টি হ’তাশাজ’নক। গত প্রা’য় ২৫ বছর ধ’রে বি’জ্ঞানীরা প্র’তিশ্রুতি দিয়ে যা’চ্ছেন। বলছেন, পুরু’ষদের জ’ন্যও পি’ল আসছে।

কিন্তু সেই প্র’তিশ্রুতি হ’তাশায় রূপ নিয়েছে। তবে কি ২০২১ সালে তাদের সেই প্র’তিশ্রুতি বাস্তবে রূপ পাবে? এমন প্রশ্ন রে’খে একটি প্র’তিবেদন প্রকাশ করেছে ল’ন্ডনের অনলাই’ন ডেইলি মেইল। স’র্বশেষ গবেষণায় বলা হচ্ছে, খুব শিগগিরই পুরু’ষরা জ’ন্মবি’রতিকরণ প’ণ্য হা’তের নাগালে পেয়ে যেতে পারেন।

এর মধ্যে রয়েছে জে’ল, প্র’তিদিন সেবন করার জ’ন্য পি’ল, মা’সিক ভিত্তিতে ইঞ্জেকশন গ্রহণ অথবা প’রিবর্তনযোগ্য কেমিক্যাল ভ্যাসেকটমি। এস’ব বি’ষয় ক্লিনিক্যাল প’রীক্ষায় ভাল ফল দেখিয়েছে। যদি তা সত্য হয় তাহলে পুরু’ষের প্রজ’নন ব্য’বস্থার বি’রুদ্ধে ব্য’বস্থা নেয়া স’হ’জ হয়ে যেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে বায়োলজিক্যাল ইকুইপমেন্ট থিওরি না’রীদের তুলনায় দৃশ্যত বেশি সা’ধা’রণ প’দ্ধতি।

বায়োলজিক্যাল দিক দিয়ে একজ’ন পুরু’ষ জিন বিস্তারে বড় ভূ’মিকা রাখেন। একদিনে একজ’ন সুস্থ পুরু’ষের দে’হে প্র’তি সেকেন্ডে ১০০০ শুক্রাণু তৈরি হয়। আর যৌ’ন মি’লনের স’ময় সে মুক্ত করে ২৫ কোটি শুক্রাণু। দৃশ্যত এটা কা’র্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন মনে হতে পারে।

পক্ষান্তরে একজ’ন না’রীর শ’রীরে এক মা’সে মাত্র একটি বা দু’টি ডিম্বাণু তৈরি হয়। বি’জ্ঞানীরা প্রথমে ১৯৫০ এর দশকে পুরু’ষদের জ’ন্য পি’ল আ’বি’ষ্কা’রের চেষ্টা করেন। মা’র্কিন কেম্পানি স্টার্লিং ড্রা’গ যখন ল্যাবরেটরির প’রীক্ষায় অনাকাঙ্খিত পা’র্শ্বপ্র’তিক্রিয়া দেখতে পায়, তখন তারা এন্টি-প্যারাসাইট মে’ডিকেশন প’দ্ধতি উদ্ভাবনের চেষ্টা করে। এতে পুরু’ষকে অস্থা’য়ী স’ময়ের জ’ন্য স’ন্তা’ন জ’ন্ম’দানে অক্ষ’ম করে তোলে। তারা এক্ষেত্রে ব’ন্দি পুরু’ষদের শুক্রাণু নিয়ে প’রীক্ষা করে। কিন্তু এর প’র প’রই ওইস’ব ব’ন্দি পাচার হয়ে জে’লে ঢোকা হুইস্কি পান করেন এবং বুক ধরফরানি, বমি করতে থাকেন ভ’য়াবহভাবে। ফলে স্টার্লিং তাদের ওষুধটি বা’তিল করে দেয়।

কিন্তু এখন পুরু’ষের জ’ন্য আ’ছে দু’টি মাত্র বিক’ল্প। এক হলো কন’ডম ব্যবহার। অন্যটি হলো স্থায়ী বন্ধ্যাকরণ বা ভাসেকটমি। শেষ প’দ্ধতিতে যে টিউব বা নল দিয়ে শুক্রাণু বা’হিত হয় সার্জ’নরা সেটি কে’টে দেন অথবা বন্ধ করে দেন। তবে নতুন একটি আশা দেখা দিয়েছে। সেটি হলো জ’ন্মবি’রতিকরণে ব্যবহৃত জে’ল। এই জে’ল পুরু’ষের কাঁধে ও বাহুতে মাখতে হয়। এটি বৃটেন এবং যু’ক্তরাষ্ট্রে প’রীক্ষা করা হচ্ছে দ’ম্পতিদের ও’প’র। এই জে’লে আ’ছে সেজেস্টে’রন অ্যাসিটেটে’র (নেস্টরন হিসেবে যা প’রিচিত) স’ঙ্গে পুরু’ষের টেস্টোস্টে’রন হরমোন। এটি না’রীদের প্রোজেস্টিন-টাইপের হরমোনের মতো। প’রীক্ষায় দেখা গেছে নেস্টরন কা’র্যকরভাবে শুক্রাণু উৎপাদন বন্ধ করে দেয়।

প’রীক্ষায় পুরু’ষরা এই জে’ল প্র’তিদিন তাদের কাঁধে এবং বাহুতে মাখেন। এর ফলে এর হরমোন ত্বকের নিচে পৌঁছে যায়। ২৪ ঘন্টার জ’ন্য তা র’ক্তপ্র’বাহের স’ঙ্গে মিশে যায়। বৃটেনে এই প’রীক্ষা করা হয়েছে এডিনবার্গ ইউনিভা’র্সিটি এবং ম্যানচেস্টার ইউনিভা’র্সিটি এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্টে। এডিনবার্গের গবেষণায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন ক্লিনিক্যাল প্রজ’নন বি’জ্ঞান বি’ষয়ক প্রফেসর রিচার্ড অ্যান্ডারসন। তিনি ব’লেছেন, আমাদের প’রীক্ষায় বর্তমা’নে ৫টি দ’ম্পতি আ’ছেন। তারা এক বছর ধ’রে জ’ন্মবি’রতিকরণের এই জে’ল ব্যবহার করছেন। তবে তারা বড় কো’নো স’মস্যার মুখোমুখি হননি। ৪৫০টি দ’ম্পতির ও’প’র এই প’রীক্ষা করার লক্ষ্য স্থির হয়েছে।

অন্যদিকে যু’ক্তরাষ্ট্রে জে’ল প’রীক্ষায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন লস অ্যানজে’লেস বায়োমে’ডিকেল রিসার্স ই’নস্টিটিউটে’র অ’নুসন্ধানকারী ড. ক্রিস্টিনা ওয়াং। তিনি ব’লেছেন, পুরু’ষদের ক্ষেত্রে তিন ধরনের ব্য’বস্থা নিয়ে কাজ হচ্ছে। তা হলো, পি’ল, জে’ল এবং মা’সিক ভিত্তিতে ইঞ্জেকশন। প্র’তিটিই অগ্রগ’তির প’র্যায়ে আ’ছে। তিনি ব’লেন, বেশির ভাগ মা’নুষ পছন্দ করছেন প্র’তিদিন পি’ল সেবন। কারণ, এটা স’হ’জ প’দ্ধতি। কিন্তু পি’ল সেবন করলে এর শতকরা এক থেকে ৩ ভাগ মাত্র শ’রীর শোষণ করে।

পক্ষান্তরে জে’লের শতকরা ১০ ভাগ শ’রীর শোষণ করে। আর ইঞ্জেকশন শতভাগ শোষণ করে। আমি মনে করি প্রথমেই বিক্রির জ’ন্য জে’লটাকে অ’নুমোদন দেয়া যেতে পারে। এরপ’র আসতে পারে ইঞ্জেকশন। প’রীক্ষায় দেখা গেছে জে’লটা বেশি নি’রাপ’দ। এটা স’হনীয় এবং শুক্রাণু নির্গমন দ’মিয়ে রাখে।

ঘন্টা চুক্তিতে এ কি করছে স্কুল-কলেজের ছাত্রীরা! ডিজিটাল বাংলাদেশে সবকিছুই যেন ডিজিটালের হাওয়া। ডিজিটাল হওয়ায় ভালোর পাশাপাশি আছে খা’রাপ। এরই অংশ হিসাবে বর্তমানে রাজধানীতে অবাধে চলছে ফোনে যৌ’নতা। আর ঢাকার তরুণীরা এক ঘন্টা বা দুই ঘন্টার চুক্তিতে এই ফোন করতে

বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যবহার করছে বিভিন্ন ওয়েবসাইট, পাশাপাশি আছে ফেসবুকেরও ব্যবহার।। ফলশ্রুতিতে ফোন সে’ক্স বাণিজ্য মহানগরীতে এখন জমজমাট ব্যবসা। তবে ফোনে গো’পন কাজ করার জন্য আপনাকে ঘন্টা প্রতি গুনতে হবে টাকা। আর এই জন্য আপনাকে অগ্রিম বিকাশ বা ফেলিক্সিলোড করতে হবে নির্ধারিতফোন নম্বরে। নচেৎ সাড়া দেয়া হয় না। এ সংক্রান্ত অনেক ওয়েব সাইটে বিজ্ঞাপনও প্রচার

করা হচ্ছে। ওই সব বিজ্ঞাপনে বলে দেয়া হচ্ছে, বিকাশ বা ফেক্সিলোড মাধ্যম ছাড়া টাকা না পাঠিয়ে দয়া করে কেউ বির’ক্ত করবেন না। মিস কল দেবেন না। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্কুল-কলেজের উঠতি তরুণরা এসব শা’রীরিক সম্প’র্কে জড়িয়ে গেছেন।বিনিময়ে খোয়াচ্ছেন বাবা-মার কাছ থেকে আনা অর্থ।ধীরে ধীরে এটা অনেকটা ম’হামা’রি আকারে দেখা দিচ্ছে। দেশের নামী এক ওয়েবসাইটে সাথী নামে এক তরুণী ০১৭৩০… এবং ০১৫৫৩৭৫… নম্বর দিয়ে ফোন অ’নৈতিক করার আহবান জানানো

হয়েছে। তিনি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বলেছেন, ফোনে অ’নৈতিক কাজ করতে লাগবে এক ঘন্টায় তিনশ’ টাকা। আবার কারো কারো রেট এর চাইতে কম কিংবা বেশি। তবে সবার ক্ষেত্রেই অগ্রিম বিকাশ না করলে এ সেবা মিলবে না। মাইশা নামে এক তরুণী নম্বর দিয়ে বলেছে, ফোন সে’ক্স করতে তার স’ঙ্গে সবচেয়ে বেশি মজা পাওয়া যাবে। এখনও একা আছি। ফোন করেই দেখু’ন না। সাজিয়া নামে ছাত্রী পরিচয়দানকারী এক তরুনী মোবাইল নম্বর উল্লেখ করে বলেছে, আমি প্রফেশনাল নই।

আমার স’ঙ্গে সময় কা’টাতে বেশ মজা পাবেন। এটা আমি বলতেই পারি। নুসরাত সুমী নম্বর দিয়ে বলেছে, আমাকে কল করেই দেখ না। কি মজা দেব তোমাদের। ওদিকে আরেকটি ওয়েবসাইটে চার তরুণীর ফোন নম্বর দেয়া হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কল গার্লের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এর পেছনে তরুণরা তাদের মূ’ল্যবান সময় ন’ষ্ট করছেন। এটা এখনই রোধ করা উচিত।