বিয়ের আগের রাতে মেয়েরা আতঙ্কিত থাকে কেন

মেয়েদের জীবনে বিয়ের প্রভাব অনেকটা বেশি পড়ে কারণ তারা নিজেদের বাড়ি, বাবা, মাকে ছেড়ে অন্যের বাড়িতে যায়। তাই তাদের বিয়ের আগে মাথায় অনেকরকম ভাবনা আসে। বিয়ে যদি ভালবাসার হয় তাহলে মেয়েরা তার পছন্দের মানুষটাকে চেনে বলে একটু নিশ্চিন্ত থাকে বটে। তবে তার চিন্তা কোনও ভাবেই কমে না।

যেহেতু বাড়ি ছেড়ে যেতে হয় তাই সবার আগে তাদের মাথায় চিন্তা হতে শুরু করে যে কি করে নতুন জায়গায় তারা নিজেদের মানাবে। তারপর সেই নতুন বাড়িতে গিয়ে মেয়েটিকে হয়তো ছাড়তে হতে পারে নিজের সব ভালবাসার অভ্যেস। তাই মেয়েটি ভয় পেতে শুরু করে।

তবে সব শেষে মেয়েরা যা ভাবে তা হল, আমি এই বিয়ের সিদ্ধান্তটা তাড়াতাড়ি নিয়ে ফেললাম না তো! সে যত বয়সেই মেয়েরা বিয়ে করুক না কেন এ ভাবনা তাদের আসবেই। আরও পড়ুন : প্রা’ণঘাতী করো’নাভাই’রাসের থাবায় বিপর্যস্ত বিশ্ব। কিন্তু জীবন তো আর থেমে থাকে না। তাই সবাইকেই সবার মতো করে কাজ শুরু করতে হয়েছে।

রাস্তায় দাঁড়িয়ে কাজ না ধরলে জীবন চলবে না যৌ’নকর্মীদের। তাই কাজ শুরু করেছে তারাও। তবে সবটাই ‘নিউ নর্ম্যাল’- নতুনভাবে কাজ করতে হচ্ছে তাদের।
বলিভিয়ার সে’’ক্স ওয়ার্কারদের দেখা যাচ্ছে শরীর ঢাকা এক বিশেষ আবরণে। স্বল্পবসনা হয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে খদ্দের ধরছে। এগুলোকে বলা হচ্ছে ‘বায়োসিকিউরিটি স্যুট’

৩০ পাতার একটি করো’নাভাই’রাস সিকিউরিটি ম্যানুয়াল তৈরি করা হয়েছে বলিভিয়ায়। রাতের কর্মীদের জন্য সেসব বিশেষ নির্দেশিকা। তাতেই এ ধরনের স্যুট পরার কথা বলা হয়েছে।

বলিভিয়ার সে’’ক্স ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের একজন প্রতিনিধি লিলি করটেস বলেন, কোনো কোনো মে’য়ের এই কাজ করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। তারা রাস্তায় বেরিয়ে কাজ না করলে তাদের রুজি-রোজগার হবে না। এমনিতে বলিভিয়ায় পতিতাবৃত্তি বৈধ কাজ।বর্তমানে যৌ’নকর্মীদের পরতে হচ্ছে আই মাস্ক, ফেস মাস্ক, গ্লাভস ও রেইনকোট। যা পরে তারা ডান্স করবে, সেটিও স্যানিটাইজ করতে হচ্ছে।

এক যৌ’নকর্মী জানিয়েছে, শুধু নিজেদের সুরক্ষার জন্যই নয়, কাস্টমা’রদের সুরক্ষার কথা মা’থা রেখেই এমন পোশাক পরতে হচ্ছে তাদের। এরই মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে যে, যৌ’ন সংসর্গে করো’না সংক্রমণের ভ’য় নেই। উল্লেখ্য, বলিভিয়ায় করো’নায় আ’ক্রান্তের সংখ্যা মোট ৪৮ হাজার ১৮৭ জন। মৃ’ত্যু হয়েছে ১ হাজার ৮০৭ জনের।