মেয়েদের ২৫ বছরের আগে বিয়ে না হলে যে সমস্যা গুলো হয়ে থাকে

আমাদের সমাজে নারীদেরকে বলা হয়ে থাকে কুড়িতেই বুড়ি। আর এই কথাটি বলার কারণ হলো, ২৫ বছর বয়সের পরেই মেয়েদেরকে বিয়ে করিয়ে দেয়ার জন্য নানান দিক থেকে চাপ সৃষ্টি করা হয়। পরিবার, আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধব, পাড়া প্রতিবেশী সবাই সারাক্ষণ বিয়ের ব্যাপারে আলাপ করতে শুরু করে।

বিয়েই একটি মেয়ের জীবনের মূল লক্ষ্য এমনই প্রচলতি ধ্যান ধারণার কারণেই নানান রকমের বিরক্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় নারীদেরকে। জেনে নিন তেমনই ১৫ টি বিরক্তিকর পরিস্থিতি সম্পর্কে।

সকালের নাস্তার সময় বা রাতের খাওয়ার সময় যখনই হোক, বাবা মা বিয়ের প্রসঙ্গ তুলবেনই। খাবার টেবিলে বাবা মায়ের সাথে মুখোমুখি হতেও সংকোচ ও আতঙ্ক তৈরি হয় এমন অবস্থায়। কর্মক্ষেত্রে গেলেই এর ওর বিয়ের গল্প বাসা থেকে বের হয়ে কর্মক্ষেত্রে গিয়েও যেন শান্তি নেই।

সমবয়সী ছেলেমেয়েদের মধ্যে বিবাহের ক্ষেত্রে সাধারণত কী ধরনের সমস্যা হতে পারে?

বিয়ে হচ্ছে দুইজনের মধ্যে একটি বন্ধন, যা সারা জীবনের জন্য থাকবে। ভালোবেসে বিয়ে হোক আর পরিবারগতভাবে বিয়েই হোক সব কিছুতেই বোঝাপড়াটাই প্রধান। দুজন যদি দুজনকে পড়ে নিতে পারেন তাহলে সংসারে সমস্যা আসলেও তা সমাধান করা সহজ হয়ে পরবে। আর সমস্যা তো আসবেই, কারণ সমস্যা ছাড়া মানুষ থাকতে পারে না। তবে, সমবয়সীদের বিয়েতে একটু ঝামেলা থাকেই।

সমবয়সীদের মাঝে বিয়ের ব্যাপারটা ইদানিং খুব বেশি দেখা যাচ্ছে। একইসঙ্গে পড়াশুনা বা চাকরি করতে গিয়ে কাছাকাছি আসা, মনের মিল খুঁজে পাওয়া এবং শেষে ঘর বাঁধা। সমবয়সী স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুর মতো সবকিছু শেয়ার করা যায়। নিজের ভালোলাগার বিষয়গুলো তার সঙ্গে মিলে যায় সহজেই।

বিষয়গুলো আবার সব সময় একই রকম থাকে না। সমবয়সী দু’জনের ভিতর একে অপরকে পারিবারিকভাবে সম্মান দেয়ার ব্যাপারটা কম থাকে। কারণ দুজনই ভাবে তারা কেউ কম জানেনা। আর যখন সম্মানবোধটা মুখ্য হয়ে উঠে, তখন আসলেই ভাল থাকাটা কষ্টকর।

পুরুষের তুলনায় মেয়েরা শারিরীক ও মানসিকভাবে পরিপক্ক হয়ে দ্রুত তেমনি পুরষের আগে মেয়েরা বুড়িয়ে যায় তাই বিয়ের ক্ষেত্রে নারী পুরুষের বয়সের ব্যাবধান থাকা উচিৎ মানে নারীদের থেকে পুরুষদের বয়স বেশি হওয়া ভাল।

তবে নিজেরা যদি নিজেদের মধ্যে সমঝোতা তৈরি করে, নিজেরা নিজেদের সাথে খাপখাইয়ে নিতে পারে তাহলে কোনো সমস্যা হবে না। বিয়েটা জীবনের অনেক গুরুত্বপুর্ণ সিন্ধান্ত তাই সময় নিয়ে চিন্তা করেই সিন্ধান্ত নেয়া উচিৎ।

তবে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত এই ‘বন্ধুত্ব’ খুব কম কাপল ধরে রাখতে পারে!! কাজেই ব্যাক্তির উপর আসলে সব কিছু নির্ভর করে!

যে ৮টি ভুলে হতে পারে মহিলাদের স্ত’ন ক্যা’ন্সা’র।

বর্তমানে সারা বিশ্বের মহিলাদের কাছেই স্ত’ন ক্যা’ন্সা’র একটি আতঙ্কের নাম। আর এর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইদানীং ক্যানসারের প্রচলিত ওষুধে কাজ হচ্ছে না। প্রচলিত বেশির ভাগ কেমোথেরাপিও এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই স্ত’ন ক্যান্সার দিনে দিনে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের।

কিন্তু জানেন কি? দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের ভুলে স্ত’ন ক্যা’ন্সা’রের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমনই ৮টি খারাপ অভ্যাসের কথা, যেগুলো স্ত’ন ক্যা’ন্সা’রের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

• স্ত’নের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার না করা স্ত’ন ক্যা’ন্সা’রের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। স্ত’নের আকারের চেয়ে বড় মাপের বক্ষবন্ধনী স্ত’নের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্ত’নের তরলবাহী লসিকাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

• সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকার কারণে ঘাম হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্ত’ন ক্যা’ন্সা’রের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ঘরে থাকার সময় টুকুতে ব্রা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

• প্লাস্টিকের বক্সে খাবার রাখা এবং বিশেষত সেটিতেই ওভেনে গরম করা স্ত’ন ক্যা’ন্সা’রের ঝুঁকি বাড়াতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিতে পারে। এর চেয়ে কাঁচের পাত্র ব্যবহার করুন। আর প্লাস্টিক ব্যবহার করতে চাইলে তা ফুড গ্রেড কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

• ঘামের দূর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাই! কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। এলুমিনাম বেসড উপাদান থাকলে তা স্ত’ন ক্যা’ন্সা’রের ঝুকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া বিশেষ জরুরি।

• চুল পেকে যাওয়া বা হাল ফ্যাশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চুলে নানা রঙের ব্যবহার, যেটিই হোক না কেন, দোকান থেকে সস্তার চুলের রং কিনে আনবেন না।

এতে চুল তো পড়ে যেতে পারেই, সেই সঙ্গে এতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিকের কারণে হতে পারে স্ত’ন ক্যা’ন্সা’রও। তাই ভালও ব্র্যান্ডের ভেষজ চুলের রং ব্যবহার করুন। আর সবচেয়ে ভাল হয় মেহেন্দি ব্যবহার করতে পারলে। মেহেন্দি একদিকে যেমন চুলের জন্যে ভাল, সেই সঙ্গে এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

• ঘরের দূর্গন্ধ দূর করতে এয়ার ফ্রেশনারের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এতে থাকা প্যাথালেট নামক প্লাস্টিসাইজিং রাসায়নিক যা সুগন্ধকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে, তার সঙ্গে স্ত’ন ক্যা’ন্সা’রের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। এর চেয়ে ফুটন্ত জলেতে এক টুকরো দারচিনি ফেলে দিন। এবার দেখুন, ঘরময় কি সুগন্ধই না ছড়াচ্ছে!

• আলমারির কাপড়চোপড় পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে নেপথলিন তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। অনেকে আবার বাথরুমের দুর্গন্ধ এড়াতে বেসিনে, সিঙ্কেও নেপথলিন ফেলে রাখেন।

কিন্তু এটি পুরোটাই ক্ষতিকর কেমিকেল দিয়ে তৈরী, যা কেবল পোকামাকড়কে দূরেই রাখে না, বরং আপনার স্ত’ন ক্যা’ন্সা’রের ঝুকিও বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। এর চেয়ে নিমপাতা শুকিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রেখে দিন। একই উপকার পাবেন।

• রান্নাঘরের সিঙ্ক বা কেবিনেট যে রঙিন তরল ক্লিনার দিয়ে আপনি পরিস্কার করছেন, তাতে থাকা কেমিকেল কেবল আপনার স্ত’ন ক্যা’ন্সা’রই নয়, মাইগ্রেন ও অ্যালার্জির প্রকোপও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কেমিকেলযুক্ত এই ক্লিনার ব্যবহার না করে ভিনেগার বা বেকিং সোডা দিয়ে পরিস্কার করতে পারেন।